সাদমানের ভাবনা নেই রশিদ খানকে নিয়ে

0

এফএনএস স্পোর্টস: এই মুহূর্তে রশিদ খান বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার। তাকে সামালাতে রীতিমতো ঘাম ছুটে যায় ব্যাটসম্যানদের। যদিও রঙিন পোশাকে আফগান স্পিনার যতটা ভয়ঙ্কর, সাদা পোশাকে ততটা নয়। সেই কারণেই এই লেগ স্পিনারকে নিয়ে তেমন কোনও ভাবনা নেই সাদমান ইসলামের। ৫ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের একমাত্র টেস্ট। চট্টগ্রামের এই ম্যাচের আগে করা কন্ডিশনিং ক্যাম্প শেষ হয়েছে বুধবার। বৃহস্পতিবার জাতীয় দলের ছুটি থাকলেও সাদমান একাডেমিতে বিসিবি একাদশের দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। অনুশীলন শেষে সামনের সিরিজ নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান, ‘আফগানিস্তানকে নিয়ে একটু আলাদা পরিকল্পনা করছি। কারণ ওদের স্পিন আক্রমণ খুব ভালো। সবসময় তো পেস বোলিং নিয়ে বাড়তি কাজ হয়, এবার স্পিনারদের নিয়ে বাড়তি কাজ করার চেষ্টা করেছি। ওদের বেশিরভাগ বোলার, বিশেষ করে রশিদ খান-মোহাম্মাদ নবীর বোলিংয়ে ভেরিয়েশেন অনেক বেশি। রশিদ খানকে নিয়ে তার বক্তব্য, ‘রশিদ খানকে নিয়ে বাড়তি কোনও ভাবনা নেই। শর্ট ফরম্যাটের বোলিং আর টেস্টে বোলিং, দুটি দুই জিনিস। তো তাকে নিয়ে আমরা বাড়তি কোনও চিন্তা করছি না। দেশে আমরা অনেক ভালো মানের স্পিনারদের বিপক্ষে খেলে থাকি। আমার মনে হয় না রশিদ খান আমাদের বাড়তি কোনও চাপ তৈরি করতে পারবেন। অভিষেকেই আলো ছড়িয়েছেন সাদমান। গত বছরের নভেম্বরে মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অভিষেক সাদমানের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেই খেলেছিলেন ৭৬ রানের ঝলমলে ইনিংস। এরপর নিউজিল্যান্ডের কঠিন কন্ডিশনে দুই টেস্টেও খুব একটা খারাপ ছিল না তার পারফরম্যান্স। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে তামিম ইকবাল না থাকায় ওপেনিংয়ে বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন মাত্র ৩ টেস্ট খেলা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৩ টেস্টে ৩৮.৬০ গড়ে ১৯৩ রান করা সাদমানের সাদা পোশাকে উজ্জ্বল ক্যারিয়ারের ব্যাপারে আশাবাদী টিম ম্যানেজমেন্ট। সাদমান অবশ্য নিজের সহজাত ব্যাটিং দিয়েই এগিয়ে যেতে চান, “আমি সবখানেই নিজের মতো খেলার চেষ্টা করব। আগে যেভাবে খেলেছি, সেভাবেই পরিকল্পনা থাকবে। প্রথম শ্রেণিতে যেভাবে খেলি বা ‘এ’ দলের হয়ে যেভাবে খেলি, সে রকম পরিকল্পনা থাকবে। আশা করি সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা দিতে পারব। সবশেষ দুই টেস্টে লম্বা ইনিংস খেলতে পারেননি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সুযোগ পেলে সেই আক্ষেপ দূর করতে চান তরুণ ওপেনার, ‘চিন্তা-ভাবনা তো বড় ইনিংস খেলারই থাকে। হয়তো আমার কোনও ঘাটতি ছিল। নিউজিল্যান্ডে ইনিংস বড় করতে পারিনি। আমাদের বাউন্সি উইকেটে কোনও খেলা হয় না, হয়তো এটাও একটা কারণ। পরবর্তীতে কখনও নিউজিল্যান্ডে গেলে তৈরি হয়েই যাব। আপাতত সাদমানের ভাবনাতে টেস্ট ক্রিকেটই, ‘সামনে থেকে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হবে। এটা চিন্তা করে ভারতে আমাদের দল পাঠানো হয়েছে, আরও অনেক জায়গায় দল গেছে কিংবা আমাদের এখানে এসেছে। সামনে আমাদের ওয়ানডে ম্যাচ খুব কমই আছে। তাই টেস্ট নিয়েই বাড়তি চিন্তা করছি। সামনে অনেক ম্যাচ আছে, ভালো করতে হবে। এখানে ভালো করতে পারলে অন্য ফরম্যাটে এমনিতেই সুযোগ আসবে।

 

Share.

Leave A Reply