মাদক আর ছিনতাই চলছে দেখার কেউ নেই এই সড়কে

0

স্টাফ রিপোর্টার : শহরের দ্ইু তিনটি সড়কে অবাধে চলছে মাদকের কেনা বেঁচা। ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটছে। মাদকের কারনে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের পথে। আর লকডাউনে এমনি রাস্তাঘাটে অলিগলিতে লোকজনের চলাচল অনেকটাই কম। এ সুযোগ কাজে লাগিয়েছে ছিনতাইকারীরা। শহরের কফিল উদ্দিন পাড়া, শায়েস্তাখা রোড, এ বি সেন রোড (কফিল উদ্দিন পাড়া দিয়ে যে রাস্তাটি উঠেছে গোড়া উকিলের বাড়ির পেছনে), পাথরতলা থেকে ইউনিভার্সাল হয়ে যে রাস্তাটি অনন্তমূখী গেছে। এছাড়াও কফিল উদ্দিন পাড়ার ভেতর দিয়ে বদরুদ্দোজা মোক্তারের বাড়ি ও শামসুল হক টুকু এমপির বাড়ির সামনে দিয়ে যে রাস্তাটি বের হয়ে ফায়ার বিগ্রেডের দিকে গেছে। এই রাস্তাগুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে মাদক, বেড়েছে ছিনতাই। এ বি সেন রোডের একটি বাড়ি এবং সাবেক পাসপোর্ট অফিসের (এমপি টুকুর বাড়ি) ঠিক পাশেই আরেকটি বাড়িতে পুরো পরিবারই মাদক বেঁচা কেনার সাথে জড়িত। এসব পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যই নারীসহ মাদকের ব্যবসার কারনে ধরা পড়েছেন পুলিশের কাছে, জেল খেটেছেন ফের আবারও এই ব্যবসার সাথেই জড়িয়ে রেখেছেন নিজেদের। এসব গলি বা সড়কের খুবই সন্নিকটে জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। তাদের তেমন কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনা এলাকাবাসীর। তবে পুলিশ সদস্যরা মাঝে মাঝে হানা দেন। দীর্ঘদিনের পুরনো মাদক ব্যবসায়ী পরিবারের এসব সদস্য একটু আঁচ পেলেই সটকে পড়েন। এলাকাবাসী এসব সড়কে পুলিশ সদস্যদের টহল বাড়ানোসহ মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারে এবং মাদক ব্যবসা কঠোরভাবে বন্ধ করতে উদ্যোগী হতে পুলিশ সুপারের দৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, পাবনার নবাগত পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম পিপিএম এর মাদক বিরোধী অভিযানের নানামূখী খবরে তারা আনন্দিত হয়েছেন, মনে আশা বেঁধেছেন এবার তাদের এলাকাতেও বন্ধ হবে মাদকের বেঁচা কেনা। ঘটবে না আর ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার মতো জঘন্য অপরাধ, এ আশায় বুকে বেঁধেছেন তারা।

Share.

Leave A Reply