মাংস কাটার খাইটার এবারে একদম চাহিদা নেই আটঘরিয়ায়

0

আটঘরিয়া প্রতিনিধি : আটঘরিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ও মোড়ে মোড়ে কোরবানির মাংস কাটার খাইটা বিক্রির তেমন কোনো কদর নেই। কোরবানির পশু জবাই ও মাংস সাইজ করতে যেমন ছুরি, চাপাতি, দা ও বটি খুবই দরকার। সেগুলো সংগ্রহ ও প্রস্তত করে রাখতে এখন সবাই এখন ব্যস্ত। আর এদিকে মাংসের পাশাপাশি হাঁড় কাটার জন্য যেমন কাঠের গুড়ি বা খাইটা (খাটি) দরকার সেসব খাইটা বানতে ব্যস্ত আটঘরিয়া উপজেলার ও পৌর সদরের কাঠ ব্যবসায়ীরা। তাই প্রতিবছরের ন্যায় এবারও পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে এ শিল্প। তবে সাধারন মানুষ বলছে গতবছর যেমন এর চাহিদা ছিল ব্যাপক। তেমনি এবছর করোনা ভাইরাসের কারনে এর চাহিদা কুবই কম বলে মনে করছেন তারা। তবে ক্রেতাদের আকর্ষন করার জন্য খাইটা বানিয়ে সাজিয়ে রাখা হয়েছে দোকানের সামনে । আর এসব কাঠের তৈরিতে খাইটা বানাতে অনেক পরিশ্রম করতে হয় ব্যবসায়ীদের। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধা অবধি চলে খাইটা বিক্রি। পৌরসভার দেবোত্তর বাজার, আটঘরিয়া বাজার,খিদিরপুর বাজার, পারখিদিরপুর বাজার, কয়রাবাড়ী বাজার, একদন্ত বাজার, গোড়রী বাজার, মতিঝিল বাজার, কড়ইতলা বাজার,চাঁদভা বাজার,সড়াবাড়িয়া বাজারে এই সকল খাইটা বিক্রি করতে দেখা গেছে। দেবোত্তর বাজারে খাইটা ব্যবসায়ী রজব আলী জানান, বছর আন্তে এই ব্যবসা আমাদের একবার হয়। প্রতি কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে আমরা আমাদের দোকানের সামনে তুলে গাছ কিনে এসব খাইটা বানিয়ে বিক্রি করে থাকি। প্রতিটি খাইটা তৈরি করা পর্যন্ত আমাদের দেড়শত থেকে তিনশত টাকা করে বিক্রি করে থাকি। তবে এখন করোনার প্রভাবে অন্যান্য বছরের চেয়ে বিক্রি একটু কম। তবে আশা করছি কয়েকদিন ঈদের বাকি আছে সেহতু বেচাকেনা বোদ হয় একটু বেশি হতে পারে বলে ধারনা করছেন এই ব্যবসায়ী। কোরবানির মাংস কাটার খাটি কিনতে আশা আব্দুর রাজাক জানান, বছরে একবার খাটি কিনতে আসা লাগে কাঠ ব্যবসায়ীদের দোকানে। তাই মাংস কাটার জন্য এই ধরনের খাইটা ভালো হয়। এতে মাংস নষ্ট হয় না। টুকরো টুকরো করে মাংস গুলো কাটা যায়।

Share.

Leave A Reply