ফেসবুক গ্রুপে অস্ত্রের ব্যবসা, চলতো ‘হোম ডেলিভারি’

0

এফএনএস ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রীতিমতো ‘গ্রুপ’ খুলে চলছিল অস্ত্র কেনাবেচার কারবার। সেখানেই অস্ত্র দেখিয়ে ঠিক হত দাম-দর। তার পরে সে সব দেওয়া হতো ‘হোম ডেলিভারি। অস্ত্র পৌঁছে যেত নির্দিষ্ট ঠিকানায়। ভারতের কলকাতার মানিকতলায় দীর্ঘ দিন ধরেই চলা এই ব্যবসার খবর পেয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম কিষাণ জয়সোয়ারা। তিনি পেশায় গাড়ি চালক। তার কাছ থেকে একটি বন্দুক ও গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে,  গাড়ি চালানোর পাশাপাশি রীতিমতো দুষ্কৃতীদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করত সে। বছর চব্বিশের কিষাণের অপরাধ জগতে অবাধ যাতায়াত ছিল। বেশ কয়েক দিন আগেই দু’হাতে দু’টি বন্দুকসহ এক যুবকের ছবি পায় মানিকতলা থানার পুলিশ। যদিও সেই ছবিতে ওই যুবকের মুখের অংশটি ছিল না। এক হাতে একটি ঘড়ি ও জামা দেখেই যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। আর এর পরেই শনিবার ওই যুবকের সন্ধান পান তদন্তকারীরা। যদিও প্রথমে ওই যুবক আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা স্বীকার করতে চায়নি। পরে তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় মানিকতলা থানার পুলিশ। সেখান থেকে ঘড়ি ও জামার পাশাপাশি উদ্ধার হয় একটি বন্দুক এবং গুলি। পুলিশের দাবি, এরপর অভিযুক্তকে জেরা করলে অভিযোগ স্বীকার করে সে। শনিবার রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করে মানিকতলা থানার পুলিশ। জেরার সময় আরও একটি বন্দুকের খোঁজ করতে সে ভাটপাড়ায় তার এক বন্ধুর বাড়িতে সেটি রাখা আছে বলে জানায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক মাধ্যমে তৈরি করা ওই গ্রুপে নিয়ম করে অস্ত্রের ছবি দিত কিষাণ। সেই গ্রুপে শহর এবং শহরতলীর দুষ্কৃতীরা ছাড়াও জেলার একাধিক কুখ্যাত দুষ্কৃতীরা ছিল। সেখানেই চলত অস্ত্রের কেনাবেচা। তবে কিষাণের পরিবারের দাবি, ফাঁসানো হয়েছে কিষাণকে। গ্রেপ্তার কিষাণকে গত রোববার শিয়ালদহ আদালতে তোলা হয়। সেখানেই সরকারি আইনজীবী ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করেন। বিচারক ৫ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশি হেফাজত দিয়েছেন।

 

 

Share.

Leave A Reply