প্রেমিকাকে ধর্ষণ চেষ্টার পর বিয়ে হলো ভাঙ্গুড়ায়

0

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি : ভাঙ্গুড়ায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে বাধ্য হয়েছেন সজীব আহমেদ (২৫) নামে এক যুবক। উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে সোমবার দিবাগত রাতে শহিদুল ইসলাম নামে একজন গ্রাম প্রধান সালিশ করে এই বিয়ের আয়োজন করে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বিয়ে না দিয়ে সজীবকে থানায় দিতে পুলিশকে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ৪ ঘন্টা দেরি করার সুযোগে বিয়ে সম্পন্ন হয়। একাধিক সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার মাগুরা বিনোদ গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে সজীব ভাঙ্গুড়া উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের এক কৃষকের মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। সোমবার রাতে সজীব সুলতানপুর গ্রামে পরিবারের সম্মতিতে প্রেমিকার সঙ্গে তার বাড়িতে দেখা করতে আসে। একপর্যায়ে বাড়ির একটি কক্ষে কথা বলার সময় সজীব তার প্রেমিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিবেশী এসে সজীবকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। কিন্তু পুলিশ আসতে ৪ ঘন্টা দেরি হয়। এই সুযোগে সুলতানপুর গ্রামের মাতব্বর আওয়ামী লীগ নেতা শহীদুল ইসলাম সালিশ করে দুজনের বিয়ে দিয়ে দেন। এতে পুলিশের দায়িত্ব অবহেলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। তবে সবকিছু করেছে শহিদুল ইসলাম। এ বিষয়ে কথা বলতে শহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেনি। খানমরিচ ইউনিয়নের বিট পুলিশিং কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী বলেন, খবর পাওয়ার পরে আমি ভুল করে ইউনিয়নের অন্য এলাকায় চলে গিয়েছিলাম। তাই ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হয়। তবে সেখানে গিয়ে ভিকটিম ছাড়া কাউকে পাইনি। তখন ভিকটিম ধর্ষণ চেষ্টার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের কথা বলেন। তাই এ বিষয়ে আর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

Share.

Leave A Reply