ডাকাতির মামলায় এসআই ও ৪ সৈনিকের কারাদ-

0

এনএনবি : নয় বছর আগের একটি ডাকাতির মামলায় পুলিশের সাবেক এসআই ও চার সেনা সদস্যের ১০ বছর করে কারাদ- দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

গতকাল সোমবার ঢাকার ৭ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম এই রায় দেন।

দ-প্রাপ্তরা হলেন- শাহবাগ পুলিশ কন্ট্রোল রুমের সাবেক এসআই মোসাদ্দেক হোসেন, ল্যান্স কর্পোরাল মনিরুল ইসলাম রিপন, সৈনিক লিটন হাওলাদার, সৈনিক সাজ্জাদ হোসেন ও সৈনিক লুৎফর রহমান খান। সবাই ঘটনার সময় র‌্যাবে কর্মরত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী মাহবুবুল আলম ভূইয়া মিলন এবং আসামিদের পক্ষে চমন আফরোজা।

আসামিদের বিরুদ্ধে দ-বিধির ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ১০ বছর করে করাদ- দেন। একইসঙ্গে প্রত্যককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদ- দেয়া হয়।

এদের মধ্যে কারাগারে থাকা লিটন ও মোসাদ্দেককে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়। আর পলাতক তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়।

অভিযোগপত্রভুক্ত মামলার সাত আসামির মধ্যে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় আলম খান ও সমুয়েল বৈদ্যকে খালাস দেন  বিচারক।

নথিপত্র থেকে জানা যায়,  ২০১১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জেকে সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রবিটশন কোম্পানির ম্যানেজার মাঈন ডুখিন, অ্যাকাউন্ট্যান্ট সেলিম, ইঞ্জিনিয়ার হানিফ, ড্রাইভার নুরুল হকদের সঙ্গে নিয়ে অন্যান্য দিনের মতো সাউথইস্ট ব্যাংকের বনানী শাখায় প্রায় ১৮ লাখ টাকা জমা দিতে রওনা দেন।

অফিস থেকে একটু দূরে ১৩ নং রোডের মাথায় লোটাস কামাল বিল্ডিংয়ের কাছে কভার্ড ভ্যান পৌছালে র‌্যাবের পোশাক পরা আরোহীসহ একটি মটরসাইকেল তাদের গতিরোধ করে দাঁড়ায়। গাড়িতে অবৈধ মাল আছে দাবি করে তল্লাশির জন্য থামতে বলেন। এরপর গাড়ির পেছনের বক্স খুলতে বলেন।

ড্রাইভার পেছনের খুলে দেয়। এসময় পেছনে র‌্যাবের পোশাক পরা ৪/৫ জন একটি গাড়িতে ছিলেন। দরজা খোলার পর টাকার ব্যাগসহ সেলিম ও হানিফকে গাড়িতে তুলে র‌্যাব ১ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে।

তবে তারা মাটিকাটার ওখানে গিয়ে সেলিম ও হানিফকে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। বিষয়টি ফোনে ড্রাইভার জানালে ম্যানেজার মাইন উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে র‌্যাব ১ এর কার্যালয়ে যোগাযোগ করে খিলক্ষেত থানায় মামলা দায়ের করেন।

Share.

Leave A Reply