জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন চাটমোহরে

0

স্টাফ রিপোর্টার : এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে চাটমোহরে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। উপজেলার ৮ টি কলেজে মোট ১৬৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১১৩৯ জন, অর্থ্যাৎ পাশের হার ৬৮.৫৩ শতাংশ।

চাটমোহরে গত বছর ৮৭৬ জন পাশের বিপরীতে এ বছর পাশ করেছে ১১৩৯ জন। গত বছর ১০ জন জিপিএ-৫ পেলেও এ বছরে পেয়েছে ২১ জন। পাশের হার ৫৬.৪১ শতাংশ থেকে বেড়ে দাড়িয়েছে ৬৮.৫৩ শতাংশ।

চাটমোহর মহিলা ডিগ্রি কলেজ : বরাবরের মতো এ বছরও ফলাফলে উপজেলায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে কলেজটি। ২৪৭ জন পরীক্ষা দিয়ে ২২২ জন পাশ করেছে, যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন। ৮৯.৮৯ শতাংশ পাশ গত বছরের মতই কলেজটি চাটমোহরে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। গত বছর ২৭১ জন পরীক্ষা দিয়ে ১৯০ জন পাশ করেছিলো। পাশের হার ছিলো ৭০.১১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ৫ জন।

চাটমোহর সরকারী কলেজ : গত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর সন্তোষজনক করেছে চাটমোহর সরকারি ডিগ্রি কলেজ। বিশেষত কলেজ নিয়ে বিভিন্ন অচলাবস্থার মধ্যেও ৭৫৯ জন পরীক্ষা দিয়ে ৫৪১ জন পাস করেছে, পাশের হার ৭১.২৮ শতাংশ। ২০১৭ সালে কলেজটির পাশের হার ছিলো ৫৭.১৭ শতাংশ। ২০১৮ সালে পাশের হার ছিলো ৫৮.৪১ শতাংশ। গত ২ বছরে জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ৩ জন করে। এ বছরে জিপিএ ৫ দাঁড়িয়েছে ৮ জন। আরেকটি বিষয় লক্ষনীয়, চাটমোহরের অধিকাংশ কলেজে গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী কমেছে। কিন্তু চাটমোহর সরকারী কলেজে পরীক্ষার্থী গত বছরের তুলনায় বেড়েছে।

মির্জাপুর ডিগ্রি কলেজ : গত বছরের মতো দ্বিতীয় স্থান ধরে থাকলেও এ বছর ফলাফলে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে এই কলেজটি। ১৩৫ জন পরীক্ষা দিয়ে কলেজটিতে পাস করেছে ৯০ জন, পাশের হার ৬৬.৬৭ শতাংশ। ২০১৮ সালে কলেজটিতে পাশের হার ছিলো ৬০.২৮ শতাংশ। ২০১৭ সালে পাশের হার ছিলো ৬৬.৩৪ শতাংশ। এ বছর কলেজটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

হান্ডিয়াল কলেজ : এ বছর চমৎকার ফলাফল করেছে হান্ডিয়াল কলেজ। গত বছর ৩৩ জন পরীক্ষা দিয়ে মাত্র ৭ জন পাশ করা ফল বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাড়িয়ে এ বছর ৬৯ জন পরীক্ষা দিয়ে ৪৬ জন পাশ করেছে।

আটলংকা প্রফেসর বয়েন উদ্দিন কলেজ : ফলাফলে উন্নতি হয়েছে এই কলেজটির। ১৫৪ জন পরীক্ষা দিয়ে ৯৪ জন পাশ করেছে পাশের হার ৬১.০৪ শতাংশ। গত বছর ৫৫.২২ শতাংশ হারটাই শুধু বাড়েনি, গত বছর ১টি জিপিএ-৫ বেড়ে এ বছর কলেজটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।

হরিপুর দূর্গাদাস স্কুল এন্ড কলেজ : গত বছরের ফলাফল বিপর্যয় পেরিয়ে এ বছর কিছুটা উন্নতি করেছে হরিপুর দূর্গাদাস স্কুল এন্ড কলেজ। গত বছর ৯১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৯ জন পাশ করেছিল। কলেজটির পাশের হার দাঁড়িয়েছিলো ৩১.৮৭ শতাংশ। কাকতালিয়ভাবে এ বছরেও ৯১ জন পরীক্ষা দিয়েছে। তবে পাশ করেছে ৪৭ জন। পাশের হার ৫১.৬৫ শতাংশ।

ছাইকোলা ডিগ্রি কলেজ : কলেজগুলোর মধ্যে ছাইকোলা কলেজের পাশের হার কমেছে। গত বছর ১৭৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছিল ৯১ জন। ৫১.৭০ শতাংশ পাশের হার থাকা কলেজটিতে এ বছর পাশের হার ৪৭.৫২ শতাংশ। ২০৬ জন পরীক্ষা দিয়ে ৯৮ জন পাশ করেছে। তবে গত বছর ১ জনের বিপরীতে এ বছর কলেজটি থেকে ২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

Share.

Leave A Reply