কোহলি-স্মিথদের সারিতে নিজেকে দেখেন না ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক

0

এফএনএস স্পোর্টস: বিরাট কোহলি, স্টিভেন স্মিথ, কেন উইলিয়ামসন, এই তিনজনের পাশে জো রুটকে কি রাখা যায়? কিছুদিন ধরেই চলছে এই বিতর্ক। রুট নিজেই একটি সমাধান বাতলে দিলেন। ওই তিনজনের সঙ্গে একই বন্ধনীতে নিজেকে দেখেন না ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক। একটা সময় অবশ্য সংশয় ছিল সামান্যই। কোহলি, স্মিথ, উইলিয়ামসন ও রুটকে পাশাপাশি রেখেই অনায়াসে বলা হতো ‘বিগ ফোর’, সময়ের সেরা চার ব্যাটসম্যান। কিন্তু গত বছর দুয়েকে রুটের টেস্ট পারফরম্যান্স পড়তির দিকে থাকায় গড়ে উঠেছে ব্যবধান। অনেকেই এখন রুটের জায়গায় পাকিস্তানের বাবর আজমকে রাখেন বিগ ফোর-এর তালিকায়। দা অ্যানালিস্ট’স ভার্চুয়াল ক্রিকেট ক্লাবে এক আলোচনায় উঠে এলো সেই প্রসঙ্গ। রুট তুলে ধরলেন সমসাময়িক সেরাদের নিয়ে তার ভাবনা। “ অন্যান্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করি না আমি। তবে ভিন্ন ভিন্ন সংস্করণে তারা কিভাবে ইনিংস গড়ে তোলে, সেটা প্রচুর দেখি। আমরা কথা বলছি এমন তিন ব্যাটসম্যানকে (কোহলি, স্মিথ, উইলিয়ামসন) নিয়ে, খেলাটির ইতিহাসর সেরাদের মধ্যে আছেন যারা। দেখার জন্য ও শেখার জন্য তারা অসাধারণ তিন জন। সত্যি বলতে, আমি নিশ্চিত নই যে নিজেকে ওই বন্ধনীতে রাখব।” আলাদা করে তিন জনের শক্তির জায়গা আর নিজের মুগ্ধতার কথাও বললেন রুট। “ কেনকে (উইলিয়ামসন) দেখি, কতটা দেরিতে খেলে, কতটা স্থির ও শুদ্ধ সে। চাপের মধ্যেও যে কোনো উইকেটে সে কীভাবে নিজের ডিফেন্সে আস্থা রাখার পথ খুঁজে পায়। অসাধারণ গুণ এটি।” স্মিথের ক্ষেত্রে রুট বললেন অস্ট্রেলিয়ান এই ব্যাটসম্যানের কার্যকারিতা ও রান ক্ষুধার কথা। “ স্মিথের ব্যাটিং দেখতে কখনও কখনও চরম বাজে। চোখের জন্য সুখকর নয়। কিন্তু যে কোনো মূল্যে তাকে দলে পেতে চাইবে যে কেউ। দুর্দান্ত রান স্কোরার সে। যেভাবে সে খেলাটা নিয়ে ভাবে এবং ম্যাচের বিভিন্ন পর্যায় সামলে নেয়, তা দারুণ। বোলারদের সে বাধ্য করে তার শক্তির জায়গায় বল করতে। তার আত্মবিশ্বাস কতটা প্রবল, তা ফুটে ওঠে তার বল ছাড়ার ধরনে ও মানসিকতার গঠনে।” “ সবসময়ই প্রতিপক্ষের ওপর দাপট দেখানোর পথ বেরার চেষ্টা করে সে। বড় ইনিংস, অনেক বড় রানের জন্য তার ক্ষুধা প্রচ-।” সার্বিক ব্যাটসম্যানশীপে অন্যান্যের চেয়ে রুট এগিয়ে রাখলেন বিরাট কোহলি। “ এই তিন জনের মধ্যে সব সংস্করণ মিলিয়ে সবচেয়ে পরিপূর্ণ ব্যাটসম্যান হয়তো বিরাট (কোহলি)। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তার রান তাড়ার দক্ষতা, পাশাপাশি যতটা নিয়মিত সে এটা করে আসছে এবং অপরাজিত থেকে কাজ শেষ করে আসছে, এটা অসাধারণ। অলরাউন্ড ব্যাটসম্যান সে, পেস বা স্পিনের কোনো একটিতে একটু দুর্বল বলার উপায় নেই।” “ ইংল্যান্ডে প্রথম সফরে এসে (২০১৪ সালে) সে ধুঁকেছিল, কিন্তু পরের বার ফিরে রানের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে। বিশ্বের সব জায়গায় দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। সেটাও করে চলেছে ভারতের দায়িত্ব কাঁধে বয়ে, প্রত্যাশার চাপ সহ্য করে।”

 

Share.

Leave A Reply