সাইফের বিশ্বাস, তাদেরও দিন আসবে

0

এফএনএস স্পোর্টস: ২০১৬ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ। এই দলে ছিলেন মিরাজ, সাইফউদ্দিন, নাজমুল হোসেন শান্তদের মতো ক্রিকেটাররা। কিন্তু নিজেদের মাঠে সেরা সাফল্য পেলেও সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিদায় নিতে হয়েছিলো মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে খেলা দলটিকে। কিন্তু মিরাজ-সাইফদের উত্তরসূরি আকবর আলীর দল সব বাধা পেরিয়ে বিশ্বজয় করেছে। আর এই জয়ে সিনিয়র ক্রিকেটাররা পাচ্ছেন অনুপ্রেরণা। এই প্রেরণা নিয়েই সামনের দিনগুলোতে দিনবদলের স্বপ্ন দেখছেন সাইফউদ্দিনরা। সম্প্রতি জাতীয় দলের পারফরম্যান্স ভালো যাচ্ছে না। সোমবার চারদিনেই পাকিস্তানের সঙ্গে টেস্টে হেরেছে বাংলাদেশ। এমন অবস্থায় যুবদলের বিশ্বকাপ জয় অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে বিশ্বাস করেন সাইফউদ্দিন, ‘বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, খারাপ সময়ের পর ভালো দিন আসবেই। আমাদের বর্তমানে খারাপ দিন যাচ্ছে, আমরা যারা সিনিয়র লেভেলে খেলছি তারা এই জয় থেকে অনুপ্রেরণা নেবো। আমাদেরও ভালো দিন আসবে সামনে। আকবরদের এই জয় আমাদের উজ্জীবিত করছে।’ ঘরের মাঠে পারেননি সাইফরা। হেটমায়ার-জোসেফদের কাছে হেরে সেমিফাইনালেই বিদায় নিতে হয়েছিলো মিরাজদের। সেই দুঃখটা কাঁটার মতোই এতদিন বিঁধতো সাইফদের। আকবরদের সাফল্যে সেই কাঁটাগুলো যেন সরে গেল। বয়সভিত্তিক ধাপ পেরিয়ে সাইফ-মিরাজরা এখন জাতীয় দলের সদস্য। যুব বিশ্বকাপের এই সাফল্য সাইফকে চার বছর আগে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে, ‘অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। কাল প্রথম বল থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেছি। অনেক বেশি আনন্দ লেগেছে। শেষ সময়ে খেলোয়াড়দের বিজয়োল্লাস বার বার দেখছিলাম। অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল আমরাই খেলছি সবাই। এখনও মনের ভেতর অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করছে।’ এমন জয়ের পেছনে সাইফউদ্দিন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশকে দেখতে পারছেন। দলের সফলতার পেছনে এটা ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন সাইফ। বিশেষ করে আকবরদের ফিল্ডিং ও বোলিংয়ের প্রশংসা ঝরেছে এই অলরাউন্ডারের মুখে, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ এমন একটা পর্যায় যেখানে ভুল করলে সারাজীবন আক্ষেপ নিয়ে থাকতে হয়। ঘরের মাঠে আমরা সেমিফাইনালে হেরেছি। যখনই আমি আলজারি জোসেফ, হেটমায়ারদের দেখি আপনাআপনিই একটা দীর্ঘশ্বাস চলে আসে। যখন একাডেমি মাঠে আকবর-শামিমদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, বলেছি কোনো ভুল করা যাবে না। আকবরদের ফিল্ডিং অসাধারণ ছিল। যতগুলো ম্যাচ দেখেছি একটাও মিসফিল্ডিং বা ক্যাচ মিস দেখিনি, যার কারণেই এই সাফল্য।’

Share.

Leave A Reply