পুজারা কথার ফাঁদে পড়তে চান না

0

এফএনএস স্পোর্টস: ২২ গজে চেতেশ্বর পুজারা প্রায়ই হয়ে ওঠেন ধৈর্যের প্রতিমূর্তি। কখনও কখনও যেন ধ্যানমগ্ন কোনো ঋষি। প্রতিপক্ষের বোলিং বা কথার তির, কোনোকিছুই ভাঙাতে পারে না সেই ধ্যান। এই ভারতীয় ব্যাটসম্যান বলছেন, কথার ফাঁদে পা দিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনতে চান না। ব্যাটসম্যানের মনোযোগে চিড় ধরাতে স্লেজিং নামক অস্ত্রের প্রয়োগ ক্রিকেটে হরহামেশাই হয়। একেকজনের ধরন বুঝে চলে এই অস্ত্রের ব্যবহার। পুজারার ক্ষেত্রে যেমন, প্রতিপক্ষ জানে যে তিনি উইকেটে থিতু হয়ে গেলে বড় ইনিংস প্রায় নিশ্চিত। তাই শুরুতেই তার দিকে ছুটে যায় কথার তোপ। পুজারা অবশ্য সেসবকে পাত্তা দেন সামান্যই। সনি টেন টিভিতে সাক্ষাৎকারে টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের সাত নম্বর ব্যাটসম্যান জানালেন, নিজের মনোযোগের দুর্গে তিনি নিরাপদেই থাকেন। “ ইনিংসের শুরুতে প্রচুর স্লেজিংয়ের মুখোমুখি হতে হয়। থিতু হয়ে গেলে তারা (প্রতিপক্ষ) স্লেজিং নিয়ে আর খুব ভাবে না, আউট করার চেষ্টায় মন দেয়। কিন্তু আউট করতে ব্যর্থ হয়ে যখন হতাশ হয়ে ওঠে, তখন আবার কথার অস্ত্র ব্যবহার শুরু হয়।” “ এটি মূলত করা হয় ব্যাটসম্যানের মনোযোগ নাড়িয়ে দিতে। আমি সাধারণত পাল্টা জবাব দেই না। কখনও কখনও মনে হয় বটে, জবাব দেই। তবে নিজেকে সামলে চেষ্টা করি মনোযোগী ও ধীরস্থির থাকতে, কারণ নিজের কাজটা আমি জানি। তারা স্লেজিং করে মনোযোগে চিড় ধরাতে। পাল্টা জবাব দিতে গেলে তাদের ফাঁদে পা দিয়ে ফেলতে পারি। আমি তাই চেষ্টা করি নিজের জোনে থাকতে।” উইকেটে যাওয়ার পর নিজের সেই ‘জোন’-এ ঢোকার বা থাকার চেষ্টা করে সব ব্যাটসম্যানই। পুজারা কিভাবে খুঁজে পান সেই পথ? টেস্টে ১৮ সেঞ্চুরি ও প্রায় ৬ হাজার রান করা ব্যাটসম্যান জানালেন, একটি-দুটি শটেও মিলতে পারে পথের দেখা। “ অনেক সময়ই এমন হয়েছে, একটি ব্যাক ফুট পাঞ্চ বা একটি কাভার ড্রাইভেই হয়ে গেছে। সত্যি বলতে, ছন্দ খুঁজে পাওয়া যায় মূলত ডিফেন্স খেলে। ডিফেন্স করার সময় বল যদি মাঝব্যাটে লাগে, তাহলে অনেক আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায়।”

 

Share.

Leave A Reply