পাবনা সুগার মিলের কর্মচারীদের মানববন্ধন প্রদর্শন

0

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ চিনিকল ও আখচাষী ফেডারেশেনের ডাকে ”শিল্প বাঁচাও, দেশ বাঁচাও” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে। পাবনা ঈশ^রদী দাশুড়িয়া চিনিকল বন্ধের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ ও ৫ দফা দাবিতে মানবন্ধসহ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে পাবনা চিনিকলে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারী ও আখ চাষীরা। শনিবার সকালে ঈশ^রদী পৌর এলাকার রেলগেট সংলগ্ন ডাক বাংলার সামনে এই কর্মসূচি পালন করে তারা। পাবনা সুগার মিলে কর্মরত প্রায় তিন শতাধিক শ্রমিক কর্মচারি ও প্রায় দুই শতাধিক আখচাষী এই কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করেন। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী চলা এই মানবন্ধ ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চিনিকল ও আখচাষী ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক শাজাহান আলী বাদশা, পাবনা সুগার মিল এর ওয়ার্কর্স ইউনিয়নের সভাপতি শাজেদুল ইসলাম শাহীন, সাধারন সম্পাদক আশরাফুজ্জামান উজ¦ল, শ্রমিক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রশীদুল্লাহ, আখচাষী কণ্যান সমিতির সাধারন সম্পাদক আনসার আলী ডিলু ফকির, ঈশ^রদী উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা চান্না মন্ডলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে একত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন। এসময় বক্তারা বলেন, পাবনা সুগার মিলস একটি ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান। এই মিলের সাথে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মচারী ও আখচাষীদের জীবন জীবিকা নির্ভর করছে। সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশের চিনিকলগুলো বন্ধ করে দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের সমস্থ্য চিনি কলের মত পাবনা চিনিকলেও শ্রমিকদের বকেয়া বেতনসহ আখচাষিদের গত বছরের  পাওনা রয়েছে কয়েক কোটি টাকা। চলতি মৌশুমের চিনি মাড়াউ কার্যক্রম শুরুর আগ মূহুর্তে বাংলাদেশ চিনিকল করপোরেশনের দায়িত্বশীল ব্যাক্তিরা চিনিকল বন্ধের জন্য পায়তারা করছে। দেশের চিনিকল বন্ধ করে বিদেশ থেকে চিনি এনে উচ্চ মূল্যে বিক্রির জন্য গভীর ষড়যন্ত্র করছে তারা। তাই সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করনে আন্দোলনরত শ্রমীক কর্মচারী ও আখ চাষীরা।  প্রতিবাদ মানবন্ধন শেষে আন্দোলনরত শ্রমিকনেতারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঈশ^রদী-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জান বিশ^াসের বাস ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। পরে তিনি শ্রমিকদের পক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষটি তুলেধরার প্রতিশ্রুতি দিলে শ্রমিকরা দিনের কর্মসূচি সমাপ্ত করেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে চিনিকল চালু না করা হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষনা দেন তারা।

Share.

Leave A Reply