নাজিরপুরের লাভলী হত্যাকান্ডের বিচার চান পরিবারের সদস্যরা

0

স্টাফ রিপোর্টার : মেয়ে হত্যাকান্ডের বিচার চেয়ে মামলা করেও আশানুরুপ কোন সুরাহা পাচ্ছেন না বলে বাদীর অভিযোগ। একইসাথে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন ও মামলা নিয়ে সংশয়ে আছেন তিনি। এমন অভিযোগ সদরের নাজিরপুর ইউনিয়নের হাটপাড়া গ্রামের মৃত বাহের মন্ডলের ছেলে বৃদ্ধ সাত্তার মন্ডলের। তার অভিযোগ তার মেয়ে লাভলী হত্যাকান্ডের ঘটনায় তিনি আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু সম্প্রতি সাতজনকেই বাদ দিয়ে মাত্র একজনের নামে চার্জশিট প্রদান করা হয়েছে। এতে সন্তোষ্ট নন তিনি। শুধু তাই নয়, মামলাতে ধারা পরিবর্তন করে দেবার ফলে তা আসামিদের জন্য সহায়ক হয়েছে বলেও অভিযোগ তার। অভিযোগে তিনি জানান, প্রায় ১৯ বছর পূর্বে তার মেয়ে লাভলী সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে দেওয়া হয় ঈশ^রদীর সাহাপুর পূর্বপাড়ার আকাল প্রামানিকের ছেলে শিপন প্রামানিকের সাথে। বিয়ের সময়ে তিনি মেয়ের সুখের কথা ভেবে নগদ ষাট হাজার টাকাসহ আসবাবপত্র বাবদ আরো ষাট হাজার টাকা দেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই শিপন তার মেয়ে লাভলীকে সিএনজি কিনবে বলে দুই লাখ টাকা যৌতুকের কারনে নির্যাতন করতে থাকে। কিন্তু দরিদ্র হবার কারনে সে টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। মেয়ে খালি হাতে শ^শুরবাড়ি ফেরার কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শিপন ও তার পরিবারের সদস্যরা যৌতুক না পেয়ে লাভলীকে হত্যা করে। নিহত লাভলীর শরীরে অনেক মারাত্ম জখমের আলামত পাওয়া যায়। এঘটনায় ১৬ ফেব্রুয়ারি সাত্তার মন্ডল বাদী হয়ে ঈশ^রদী থানায় মামলা (নম্বর- ৩৮) করেন। মামলাতে নিহত লাভলীর স্বামী শিপন ছাড়াও মামলার এজাহারভূক্ত সাতজন আসামি হলেন, ছোকন প্রামানিক, মনিরুল, নিকন প্রামানিক, রুকশানা বেগম, পারভীন আক্তার, নয়ন প্রামানিক ও শাবানা খাতুন। এদিকে মামলার বাদী জানতে পেরেছেন এই মামলার এজাহারভূক্ত সাতজনকেই বাদ দেওয়া হয়েছে, রাখা হয়েছে একজনকে। এটি জেনে তিনি মামলার ভবিষ্যত নিয়ে শংকার মাঝে পরে গেছেন। এদিকে মামলার অপর আসামিরা তাকে লোক মারফত হুমকি প্রদান করছে বলেও জানান মামলার বৃদ্ধ বাদী সাত্তার মন্ডল। তিনি তার মেয়ে লাভলী হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার ও এজাহার নামীয় সকল আসামির শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।

Share.

Leave A Reply