ট্রাম্পের কণ্ঠও নিষিদ্ধ করলো ফেসবুক

0

এফএনএস ডেস্ক: সহিংসতায় উসকানির দায়ে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আগেই নিষিদ্ধ করেছিল ফেসবুক। এবার প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কণ্ঠে পোস্ট করা কনটেন্টও সরিয়ে ফেলবে তারা। যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে ট্রাম্পের এ ধরনের কনটেন্ট শেয়ার করা হবে সেসব অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেও বাড়তি বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। ঘটনার সূত্রপাত ট্রাম্পের একটি সাক্ষাৎকার নিয়ে। ওই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন তার পুত্রবধূ ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব লারা ট্রাম্প। পরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ফেসবুকে সেই ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। বিপত্তি বাধে এর পরপরই। ভিডিওটি সরিয়ে নিয়ে লারাকে সতর্ক করে মেইল পাঠায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টি সমর্থিত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের কন্ট্রিবিউটর লারা ট্রাম্প ফেসবুকের পাঠানো সেই মেইলের স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন। মেইলে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টগুলোতে যে ব্লক রাখা হয়েছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কণ্ঠে পোস্ট করা অন্যান্য কনটেন্টও সরিয়ে ফেলা হবে। এটি সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টকেও বাড়তি বিধিনিষেধের মুখে ফেলে দেবে। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন পার্লামেন্ট ভবনে উগ্র ট্রাম্প সমর্থকদের রক্তক্ষয়ী তা-বের ঘটনায় নিজ নিজ প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রাম্পকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করে মূল ধারার সবকটি সোশ্যাল মিডিয়া। টুইটার, ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে নিষিদ্ধ হয়ে নিজেই একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম খোলার উদ্যোগ নেন তিনি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনে গত ৬ জানুয়ারি তা-বের ঘটনায় উসকানির অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ক্যাপিটলে সহিংসতার সময় তাদের শরীর ও আবেগের ওপর যে আঘাত হানা হয়েছে তার জন্য ট্রাম্প দায়ী। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলে তা-ব চালায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা। যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা যখন নভেম্বরের নির্বাচনে জো বাইডেনের জয় আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করার জন্য অধিবেশনে বসেছিলেন, বিদায়ী প্রেসিডেন্ট  ট্রাম্পের শত শত সমর্থক তখন পার্লামেন্ট ভবন ইউএস ক্যাপিটলে ঢুকে পড়ে। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত পাঁচজন। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স।

 

Share.

Leave A Reply