‘টেস্টেও ওপরে ব্যাট করতে চাই’: সাকিব

0

এফএনএস স্পোর্টস: ওয়ানডে ক্রিকেটে তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিং করে সফল সাকিব আল হাসান। ভবিষ্যতে টেস্টেও একই পজিশনে ব্যাটিং করতে চান তিনি! একমাত্র টেস্টের আগে অধিনায়ক সাকিব জানালেন তার সেই ইচ্ছার কথা। সেক্ষেত্রে বোলিংয়ের মাত্রা কমে গেলেই এমনটি করতে ইচ্ছুক তিনি। যদিও এই মুহূর্তে তিনি ৫ নম্বরে ব্যাটিং করছেন নিয়মিত। তবে ওয়ানডেতে তিনে ব্যাটিংয়ের পর থেকেই সাফল্য পাচ্ছেন বেশি। গত বিশ্বকাপে এই পজিশনে সাকিবের ব্যাটে দেখা গেছে রানের বন্যা। তবে কি টেস্টেও তিন নম্বর পজিশনে দেখা যাবে সাকিবকে? বুধবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজেই জানালেন এর উত্তর, ‘আমাদের দেশে বা উপমহাদেশের কন্ডিশনে অনেক ওভার বোলিং করতে হয়, এত ওভার বোলিং করে সঙ্গে সঙ্গে ওপরে ব্যাট করা কঠিন। যদি কখনও ওরকম সুযোগ আসে যে বোলিং কমিয়ে দিচ্ছি, তখন ওপরে ব্যাটিং করার ইচ্ছে আছে। অবশ্য ওপরে ব্যাটিং করতে চাইলেই হবে না। এ ক্ষেত্রে সঙ্গী থাকে নানা প্রতিকূলতা। সাকিব সেই প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘শেষবার যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজে খেলেছি, তখন চারেই ব্যাটিং করেছিলাম। তবে সত্যি কথা হলো তিন-চারে ব্যাটিং করলে কিছু সমস্যাও আছে। কেননা দ্রুত উইকেট পড়ে গেলে ২৫-৩০ ওভার বোলিং করার পর আবার ব্যাটিংয়ে নামা খুব কঠিন। ব্যাটসম্যানদের জন্য টেস্ট ক্রিকেটে মনোযোগ ধরে রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই মুহূর্তে পরে ব্যাট করাই আমার জন্য ভালো। তবে ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে, অবশ্যই ওপরে ব্যাটিংয়ের ইচ্ছে আছে। গত বছরের নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকায় সবশেষ টেস্ট খেলেছেন সাকিব। মাঝে নিউজিল্যান্ড সফরে খেলেননি। সবমিলিয়ে প্রায় দশ মাস পর সাদা পোশাকে মাঠে নামছেন তিনি। দীর্ঘ এই সময়ে টেস্ট অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে তার অবস্থান হয়েছে তিনে। সাকিবকে হটিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্ট জয়ের নায়ক বেন স্টোকস। নিজের পুরনো জায়গায় ফেরার তাড়না অনুভব করছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব অবশ্য কোনও আগ্রহ দেখালেন না, ‘সব সময়ই চিন্তা থাকে দলের জয়ে অবদান রাখার। অবদানটা বেশি রাখতে পারলে র‌্যাংকিংয়ের জায়গাটা নিজে থেকে উন্নতি হবে। এই কারণে আমার র‌্যাংকিং নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। চেষ্টা থাকে দলের প্রয়োজনে ভালো কিছু করার। বিশ্বকাপে ৬০৬ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তিনে ছিলেন সাকিব। এমন পারফরম্যান্সের পর সাকিবের কাছে প্রত্যাশার মাত্রা বেড়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। সেই প্রত্যাশা তাকে চাপে ফেলছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তার উত্তর, ‘প্রত্যাশা সবসময়ই থাকে। একেক সময় একেকরম প্রত্যাশা থাকে। প্রত্যাশার চাপও থাকে। কিন্তু চাওয়া সবসময়ই থাকে দলের জয়ে অবদান রাখা। কিন্তু সবসময় হয় না। সবসময় সেভাবে প্রস্তুতিও নেওয়া যায় না। তবে চেষ্টার কখনও কমতি থাকে না।

 

 

Share.

Leave A Reply