ওষুধের দোকান ও বাজারে উপচে পড়া ভীড় আটঘরিয়ায়

0

মাসুদ রানা : দেশব্যাপী সোমবার থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে। একারণে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ও ঐষধের দোকানে মানুষের উপচে পড়া ভীড় পড়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় সবাই বেশি করে কিনে রাখছেন ঐষধ, চাল, ঢাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস। মঙ্গলবার ৬ এপ্রিল উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এচিত্র দেখা গেছে। অন্যদিকে নিন্ম আয়ের কেটে খাওয়া মানুষদের চোখে বাসা বেঁধেছে দুঃস্বপ্ন। কেমন কাটবে লকডাউনের দিনগুলো। অজানা ভয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। সামান্য সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে তারাও বাজার করে রাখছেন। তা ফুরিয়ে গেলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। ক্রেতারা আশঙ্ক করছেন লকডাউন শুরুর পর থেকে বেড়ে যাবে নিত্যপন্যেও দাম। এছাড়াও সামনে রমজান মাস, সবকিছু ভেবে আগেই প্রয়োজনী জিনিস কিনে রাখতেন তারা। আটঘরিয়া উপজেলার ঐষধ এর দোকান কাচাবাজার ও ছোট ছোট কাচাবাজার গুলোতে সকাল থেকেই উপচে পড়া ভীড় খো গেছে। সড়কেও তীব্র যানযট রয়েছে। আটঘরিয়া বাজারে নিত্যপর‌্য জিনিস কিনতে আসা রাকিবুল ইসলাম জানান, লকডাউনের সময় সীমা বৃদ্ধি পেলে নিত্যপণ্যের  দামও বেড়ে যেতে পারে। একারণে সবকিছুই একটু বেশি করে কিনে রাখছি। এছাড়াও রমজান মাসকে সামনে রেখে অনেক বিক্রেতা নিত্যপণ্যও দাম বৃদ্ধি করেন। সবমিলিয়ে ভোগান্তিতের থেকে বাঁচতে সামর্থ অনুযায়ী বাজার করে রাখছি।  আটঘরিয়া ও দেবোত্তর বাজার ব্যবসায়ীরা বলছেন, লকডাউন ঘোষনার পরপরই বাজারে ক্রেতাদের ভীড় বেড়ে গেছে। অনেকেই নিত্যপন্য মজুদ রাখতে বেশি বেশি করে বাজার করছেন। কিন্তু বাজারে সবকিছুর দাম একনো স্বাভাবিক রয়েছেন। কথা হয় মাহমুদের সঙ্গে তিনি জানান, আমি দিনমজুর কাজ করে সংসার চালায়। লকডাউনে কাজ বন্ধ থাকে। রোজগারও হয় না। কিছু টাকা জমানো ছিল সেখান থেকেই বাজার করছি। তবে লকডাউনের সময় বাড়ানো হলে কিভাবে সংসার চলবে তা জানিনা। রাজু জানান, ১ম লকডাউনের সময় খুব কষ্টে দিন কেটেছে পরিবার নিয়ে। খেয়ে না খেয়ে থেকে দিন কাটিয়েছি। কোথাও কোনো ধরনের সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। সবাই নিজেকে নিয়ে সবাই ব্যস্ত ছিলেন।

Share.

Leave A Reply