ঐতিহ্যের কড়াত হারিয়ে যাচ্ছে আটঘরিয়ায়

0

আটঘরিয়া প্রতিনিধি : গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষই কাঠের তৈরি ঘরবাড়ীতে জীবন যাপনে অভ্যাস্ত। গ্রামের শতকরা ৯৫ ভাগ সাধারন মানুষ বিভিন্ন কাঠ চিরাই করে বাড়ীঘর নির্মান আসবারপত্র তৈরিসহ নানা ধরণের কাজ কর্মে কাঠ ব্যবহার করে থাকে। আর  কাঠ চিরাই করার কাজে পেশা হিসেবেই গড়ে উঠেচে ঐতিহ্যবাহী কড়াত শিল্প। আটঘরিয়া উপজেলায় ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌর সভায় প্রায় শতাধীক পরিবার এই কড়াত কলের সাথে জড়িত ছিল। কলের পরিবর্তেও সাথে সাথে আধুনিক প্রযুক্তির ‘স” মিল কড়াত শিল্পকে ধবংস করে দিয়েছে। কম সময়ের মধ্যে এবং কম খরচে বেশি কাঠ চিরাই করলে ‘স” মিলের প্রতি মানুষ বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। তাই এখন আর প্রত্যক অঞ্চলের কড়াতীদের তেমন করে নেই। কাজ কমে যাওয়া পেশাদার করাতীরাও জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পেশা বদলাতে বাধ্য হয়েছে। যেসব অঞ্চলের মানুষের সুবিধা আছে। সেখানেই ‘স’ মিল স্থাপিত হয়েছে। ‘স’ মিলের দু’চার কিলোমিটারের মধ্যে কেউ হাত চালিত কড়াতীদের কাছে যেতে চাই না। ফলে পেশা কড়াতীরা পেশা ছেড়ে ভিন্ন পেশায় চলে যাচ্ছে। এখন তাদের দুদিন যাচ্ছে এবং মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তবে দূর্গম এলাকায় কিছু কড়াতীরা তাদের পেশা ধরে রেখেছে। এছাড়া ‘স’ মিল থাকলেও আপেক্ষাকৃত বড় বেডের গাছ কাটা ফালি দিতে হাত কড়াতীদের প্রয়োজন পড়ে।

Share.

Leave A Reply