এইচএসসির পরীক্ষার সংখ্যা কমানোর ভাবনায় সরকার

0

এনএনবি : ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হলেও দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় মার্চের মাঝামাঝি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়, আটকে যায় এইচএসসি পরীক্ষা।

ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হলেও দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় মার্চের মাঝামাঝি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়, আটকে যায় এইচএসসি পরীক্ষা।

কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে আটকে থাকা এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমিয়ে এনে কম সময়ে তা শেষ করার কথা ভাবছে সরকার।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি শনিবার এক ভার্চুয়াল আলোচনা অনুষ্ঠানে এই প্রসঙ্গে বলেছেন, পরিস্থিতি ‘অনুকূলে’ আসার ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে। তখন থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বন্ধ।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমে শেষ হবে, তার কোনো আভাস মিলছে না বলে এই পরীক্ষা নিয়ে দুর্ভাবনায় রয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এডুকেশন রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার নেওয়ার পূর্ণ প্রস্তুতি তাদের রয়েছে।

“আমি আগেও বলেছি যখনই অনুকূল পরিস্থিতি হবে তার ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নিতে পারব। এই ১৫ দিন শিক্ষার্থীদের নোটিস দিতে হবে। তাদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে সময় দিতে হবে।”

বর্তমান পরিস্থিতিতে সিলেবাস কমিয়ে আনার কথা কেউ কেউ বললেও তা নাকচ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, “এবারের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই, কারণ তারা (শিক্ষার্থী) তাদের তো তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে।

“এখন হতে পারে, যে হ্যাঁ, পাবলিক পরীক্ষা (এইচএসসি) নেওয়া হবে, আবার এত লক্ষ লক্ষ পরিবার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, এত প্রশাসনের মানুষ, এত শিক্ষক- সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব?

“আমরা সেটিকে, আমরা কম সময়ে করতে পারি কি না, কম সংখ্যক পরীক্ষা নিতে পারি কি না- আমরা সবকিছুই কিন্তু ভাবছি।”

Share.

Leave A Reply